ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ওয়ালটন ও মার্সেলের প্রতারণার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 11, 2025 ইং
ওয়ালটন ও মার্সেলের প্রতারণার শিকার হয়ে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন ছবির ক্যাপশন: ওয়ালটন ও মার্সেলের প্রতারণার শিকার হয়ে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
ad728
ওয়ালটন ও মার্সেলের প্রতারণার শিকার হয়ে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন। ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি এবং উৎপাদিত দুটি ব্র্যান্ডের ওয়ালটন ও মার্সেল এর ডিস্ট্রিবিউটরশীপ নিয়ে ব্যবসা করে তাদের প্রতারণার শিকার হয়ে প্রায় সর্বস্ব হারিয়ে ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী ৬৪ জেলার ডিস্ট্রিবিউটর ও তাদের পরিবার।

ওয়ালটন ও মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রয় করার জন্য কোম্পানির প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় পণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডিলারদের কাছ থেকে নগদ অর্থসহ কোম্পানির একাউন্টে টাকা জমাত নেয়, কিন্তু টাকা নিয়ে আর পণ্য সরবারাহ করে নি, শুধু তাই নয় এখন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করছে।

* কোম্পানি গত ২০১৯ সালে ২০ লক্ষ পিস ফ্রিজ বাজাবে বিক্রয় করার টার্গেট নির্ধারণ করেছিলো । এই টার্গেট পুরণের জন্য কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ বিভিন্ন ধরনের অসৎ উপায় অবলম্বন এবং ডিলারদের কে মিথ্যা কমিশন প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। যা তারা অনেক পরে বুঝতে পারে। ডিলারগণ তাদের উপর আস্থা রেখে ব্যবসা পরিচলনা করেন। ওয়ালটন ও মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রয়ের উপর কোম্পানির নির্ধারিত কমিশন থেকে বাড়িয়ে এম আর পি থেকে ৩৫ শতাংশ থেকে ৪০শতাংশ এবং মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশ পার্সেন্ট কমিশন প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু মূলত তারা এই কমিশনের বিপরীতে মাত্র ২০ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দিয়েছে। বাকীটা দিবে বলে তারা আজ অবধি দেয় নি।

* ২০ লাখ পিস ফ্রিজ এর টার্গেট পূরণ করতে কোম্পানির প্রতিনিধীরা ব্যবসায়ীদেরকে না জানিয়ে তাদের কোটে পণ্য উত্তোলন করে অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়িদের নিকট নিকট বিক্রি করে এবং লেজারে সংযোজন করে। এ কারনে ব্যবসায়ীরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
অফার এর নামে প্রতারণা: কোম্পানির ডিলারদের নিকট পণ্য বিক্রয় করতে পারলে উপরে উল্লেখিত কমিশন এরপর ৫ শতাংশ অতিরিক্ত কমিশন প্রদানের আশ্বাস দিলেও তা দেয়নি।

* ডিজিটাল ক্যাম্পিংঘের নামে ডিলারদেরকে দিয়ে অতিরিক্ত কমিশনে পণ্য বিক্রি করিয়েছেন। কিছু কিছু ডিলারকে নামমাত্র সুবিধা দিলেও অধিকাংশ ডিলারদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। *২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, বাৎসরিক ক্লোজিং বেনিফিট, গোডাউন ভাড়া, এসি ইনস্টলেশন এর টাকা, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন ১ থেকে ২০ পর্যন্ত অফারের টাকা, রেজিস্ট্রেশন অফার, বিদেশ ভ্রমণ অফার, গাড়ির অফার, কালেকশনের উপর অতিরিক্ত ৩ শতাংশ অফার সহ কোন টাকা কোম্পানি দেয়নি।

**ডেবিট এডজাস্টমেন্টর নামে কম্পানি তাদের লেজারে অন্যায় ভাবে অতিরিক্ত টাকা বাড়িয়ে দিয়ে টাকা পরিশোধ করার জন্য বাড়তি চাপ প্রয়োগ করতে থাকে তাদের সৃষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের ধূসর বাহিনী দিয়ে হুমকি দুমকি দিয়ে মানসিক প্রেসারে ও চাপে রাখতো ডিলারদের।"

*ওয়ালটন ও মার্সেল ব্র্যান্ডের ডিলারদেরকে দিয়ে মার্কেট তৈরি করে ঐ ডিলারের শোরুম এর কাছে তারা কোম্পানি নিজস্ব শোরুম প্লাজা দিয়ে বাজার দখল করে ডিলারদের তৈরি করা বাজার দখল করে নেয়। এতে করে ডিলারদের ব্যবসা প্রায় বন্ধের উপক্রম, যার কারণে অনেক ডিলার আজকে রাস্তার ফকির।

ব্যবসায়ীদের এ সকল দাবি আগামি ৭ দিনের মধ্যে পুরণ না হলে সারা বাংলাদেশে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবে বলে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্থরা জানিয়েছেন। রিপোর্ট: নিজস্ব প্রতিবেদক।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিজস্ব প্রতিবেদক

কমেন্ট বক্স